২৯ডিসেম্বর থেকে চালু হয়ে গেল বাংলাদেশে মেট্রো ট্রেন সেবা যার মাধ্যমে বাংলাদেশ ডিজিটাল প্রযুক্তির মধ্যে এক ধাপ এগিয়ে গেল আমাদের বাংলাদেশ। আজকে আলোচনা করব মেট্রো রেলের কিছু যাত্রীদের অসুবিধা নিয়ে।
১.মেট্রো রেলের টিকিট পাতলা কাগজের হবে না। টিকেট প্লাস্টিকের হবে। একজন মানুষকে টিকিটটা একবারই ক্রয় করতে হবে। পরবর্তীতে শুধু সেই থেকে টাকা রিচার্জ করলেই হবে। যারাই ঝামেলা করতে চান না তাদের তাদেরকে প্রতিবার স্টেশনের সামনে টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে ট্রেনে প্রবেশ করতে হবে।
২. টিকিট ছাড়া ট্রেনে ওঠার কথা ভুলেও চিন্তা করবেন না। ট্রেনে ওঠার আগে স্টেশনে ঢোকার আগেই আপনার টিকেট চেক করা হবে। তাই বিনা টাকায় ঘোরার কথা বাদ দেন। অল্প টাকায় বেশি করার চিন্তা বাদ দেন। আপনি যদি বেশি ঘুরে থাকেন তাহলে আপনি যদি তার অতিরিক্ত চার্জ না দেন তাহলে আপনার ট্রেনের দরজা খোলা হবে না এটা অত সিস্টেম থাকবে এর তথ্য সকল থাকলে সেই টিকিটে বা কার্ডে।
৩. ট্রেনের টিকিটগুলো প্লাস্টিকের তৈরি। ফোম বা গদির তৈরি না তাই এগুলো ব্লেড থেকে কাঁটা ছেরা করতে পারবেন না। কাটাকুটির অবস্থা তাদের আছে তারা আপাতত হতাশ।
৪. কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের ট্রেন দেখলেই ঢিল ছুটতে মনে হয় তাদের জন্য দুঃসংবাদ রয়েছে। পাবলিক প্লেস এর ভিতর দিয়ে। ঢিল ছুড়লে পাবলিকের গায়ে লাগলে একটা মাইর মাটিতে পড়বে না।
৫. দুঃখের বিষয় হলো ট্রেনে কোন ওয়াশরুম নেই। তাই যারা ট্রেনে ওয়াশরুম ব্যবহার করে পানি ব্যবহার করতেন না তাদের সাবধানরা থাকতে হবে। আর ট্রেনে ওঠার আগেই তাদের ব্যক্তিগত কাম কাজ সেরে উঠতে হবে।
৬. আমরা অনেকেই ট্রেনে জার্নি করার সময় বাদাম খেয়ে সোলা নিচে ফেলতাম কিন্তু এখনো সেটা হবে না কারণ ট্রেনে কেউ আর হকারী করতে পারবেনা যদিও উঠে এত টাকা ভাড়া দিয়ে থাকি পোষাবে।
৭. যাদের হিজরা দেখলে মাথা ঠিক থাকে না তারা রীতিমতো হতাশ হবেন। কারণ কাজল, কাজলী, কামিনী মৌসুম ী এরা টুরি মেরে দশ টাকা নিতে পারবে না।
৮. অনেকে আছে যারা ট্রেনের ছাদে না উঠলে ভ্রমণে আনন্দই পান না তাদের জন্য দুঃখের খবর। কারণ কারণ ট্রেনের সাথে থাকবে বৈদ্যুতিক সংযোগ যার মাধ্যমে ট্রেনটি চলাচল করবে। যদি ছাদে ওঠেন হাইভোল্টেজ বৈদ্যুতিক শখে পুরে বেগুন ভাজা হয়ে যাবেন।
অতএব আমি আপনাদেরকে সাবধান করে দিচ্ছি টেনে ওঠার আগে সকল কাজ থেকে বিরত থাকুন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন